Togel Online

Situs Bandar

Situs Togel Terpercaya

Togel Online Hadiah 4D 10 Juta

Bandar Togel

তরুণ জনগোষ্ঠীর প্রয়োজন কর্মসংস্থানমুখী দক্ষতা

হীরেন পণ্ডিত: সরকারের প্রধান লক্ষ্য তরুণদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা। কিন্তু সেই লক্ষ্য কতটা অর্জিত হবে এবং কতটা সময়ের মধ্যে হবে তার ওপর নির্ভর করবে তরুণদের ভবিষ্যৎ তথা বাংলাদেশের সার্বিক উন্নয়ন ও অগ্রগতি। কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীকে কাজে লাগাতে হবে। বর্তমানে বাংলাদেশের জনসংখ্যার ৬৫ দশমিক ৫১ শতাংশের বয়স ১৫ থেকে ৬৪ বছরের মধ্যে। বিশেষজ্ঞরা এই জনসংখ্যাকে কর্মক্ষম হিসেবে বর্ণনা করেন। ২০৩৮ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের জন্য অনুকূল পরিবেশ থাকবে। তারপর বয়স্ক জনসংখ্যা বাড়তে থাকবে। ২০২২ সালের আদমশুমারি বাংলাদেশের জন্য ইতিবাচক এবং নেতিবাচক উভয় দিকই রয়েছে। ২০২২ সালের আদমশুমারি অনুসারে, ৬৫ বছর বা তার বেশি বয়সি জনসংখ্যা হলো ৫ দশমিক ৮৮ শতাংশ।

যুবকদের চাহিদা অনুযায়ী উপযুক্ত চাকরি দিতে না পারলে আমরা তা কাজে লাগাতে পারব না। বাংলাদেশে শিক্ষার হার বেড়েছে এবং শিক্ষিত যুবকদের সংখ্যাও অনেক বেশি। যেখানে প্রতি বছর ২ দশমিক ২ থেকে ২ দশমিক ৩ মিলিয়ন যুবক চাকরির বাজারে প্রবেশ করছে, আমরা তাদের চাহিদা অনুযায়ী চাকরি দিতে ব্যর্থ হচ্ছি। আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) তথ্য অনুযায়ী, এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ শিক্ষিত বেকারত্বের হার। আমরা যদি এই বিশাল তরুণ জনগোষ্ঠীকে উপযুক্ত কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে না পারি তাহলে তা শুধু দেশের উন্নয়নকেই বাধাগ্রস্ত করবে না, তরুণদেরও হতাশ করবে। তবে দেরিতে হলেও এর দুর্বলতাগুলো চিহ্নিত করে শিক্ষাব্যবস্থাকে যুগোপযোগী করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। দেশের শিক্ষিত যুবকরা চাকরি পাবে না এবং শিল্প, ব্যবসা-বাণিজ্য চালাতে বিদেশ থেকে দক্ষ কর্মী আনতে হবে, এটা অযৌক্তিক। তাহলে আমরা কী শিক্ষা দিচ্ছি?

আমরা মনে করি, প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষার ভিত্তি ও গুণগতমান মজবুত না করে একের পর এক উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠছে- যা সার্টিফিকেট প্রদান করেও দক্ষ জনশক্তি তৈরি করতে ব্যর্থ হচ্ছে। আর এ কারণে বাংলাদেশে শিক্ষিত জনগোষ্ঠীর বেকার থাকা সত্ত্বেও অনেক খাতে উচ্চ বেতনে বিদেশি শ্রমিকদের নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। তাদের যুক্তি, দেশে দক্ষ জনবলের অভাব রয়েছে। তার মানে আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা সময়ের চাহিদা মেটাতে পারছে না। ফলে এ অবস্থার অবসান ঘটাতে সংশ্লিষ্টদের এগিয়ে আসতে হবে।

বঙ্গবন্ধু এ দেশের মানুষকে স্বপ্নের স্বাধীনতা উপহার দিয়েছেন। বাংলাদেশের আজ নানা ক্ষেত্রে অনেক অর্জন! বাংলাদেশের গর্বিত নাগরিক হিসেবে বিশ্বব্যাপী আমাদের অবাধ বিচরণ। পারিপার্শ্বিক নানা প্রতিকূলতা দূর করে উন্নয়নের মহাসড়কে আমাদের আজ যে দৃপ্ত পদচারণা তার সবই বঙ্গবন্ধুর অবদান। আমরা যদি একটি স্বাধীন দেশ না পেতাম তাহলে আজও পাকিস্তানের জাঁতাকলে পিষ্ট হতে হতো, নিষ্পেষিত হতে হতো। স্বাধীন দেশ পেয়েছি বলেই আমরা স্বাধীনভাবে সব কিছু চিন্তা করতে পারি। সমাজ ও অর্থনীতির বিভিন্ন সূচকে আমাদের সাফল্য বিশ্ববাসীর মনোযোগের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে তা বঙ্গবন্ধুর কল্যাণেই সম্ভব হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা মহান মুক্তিযুদ্ধে বিজয় অর্জন করেছি। আমরা বিজয়ী জাতি। বিজয়ী জাতি হিসেবে বিশ্বের দরবারে আমরা মাথা উঁচু করে চলতে পারি। কারো কাছে মাথা নত আমার মাথা নত করব না, কারো কাছে মাথা নত করে আমরা চলব না’। আমাদের যতটুকু সম্পদ যেটা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু বারবার বলেছেন, সেই সম্পদটুকু কাজে লাগিয়েই আমরা বিশ্বসভায় নিজেদের আপন মহিমায় আমরা গৌরবান্বিত হব, নিজেদের গড়ে তুলব এবং বিশ্বের কাছে আমরা মাথা উঁচু করে চলব। এটাই হবে এ দেশের মানুষের জন্য সবদিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। এভাবেই এগিয়ে যাবে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা ২০৩০ সালের মধ্যে এসডিজি অর্জন করে ২০৪১ সালের মধ্যেই উন্নত স্মার্ট বাংলাদেশে পরিণত হবে।

এরই মধ্যে ডিজিটাল বাংলাদেশের মাধ্যমে নাগরিকদের জীবনমান উন্নয়ন ও আধুনিকায়ন এবং সহজেই নাগরিক সেবা প্রাপ্তি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, ব্যবস্থাপনা, কর্মপদ্ধতি, শিল্প-বাণিজ্য ও উৎপাদন, অর্থনীতি, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক জীবনধারা ডিজিটাল পদ্ধতিতে পরিচালনা করার লক্ষ্যে কাজ করছে। দেশের প্রতিটি নাগরিকের কাছে প্রযুক্তি যেমন করে সহজলভ্য হয়েছে, তেমনি প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কাছের প্রযুক্তিনির্ভর সেবা পৌঁছানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে। সব নাগরিক সেবা ও জীবনযাপন পদ্ধতিতে প্রযুক্তি হয়ে উঠেছে এক বিশ্বস্ত মাধ্যম। ক্রমান্বয়ে একটি প্রযুক্তি বিপ্লবের সঙ্গে আমরা সময় অতিবাহিত করছি। পরিবর্তন সবসময় অবশ্যম্ভাবী, এই পরিবর্তনের সঙ্গে খাপখাইয়ে নিতে আমরা শুরু করেছি। সবকিছুতেই আসছে আমূল পরিবর্তন। ঘরে ঘরে বসেই বিভিন্ন ব্যবসা পরিচালিত করছি আমরা। অনলাইনে অ্যামাজন, আলী বাবা বা রকমারিতে যে পরিমাণ অর্ডার করা হয় তা দেখে আমরা আন্দাজ করতে পারছি ভবিষ্যতে কী হবে। ঘরে বসে অনলাইন বাজারে আমরা পেয়ে যাচ্ছি সব।

যেকোনো সেবাও আমরা ক্রয় করতে চাইলে অনলাইন প্ল্যাটফরমে সব পেয়ে যাচ্ছি। প্রথম প্রথম হয়তো কিছুটা মানিয়ে নিতে সমস্যা হচ্ছে বা নানা রকম প্রতিবন্ধকতায় পড়ছি কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সবকিছুতেই অভ্যস্ত হয়ে যাচ্ছি। আজকের চিকিৎসা বা ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে প্রযুক্তির যে ছোঁয়া লেগেছে তাতে চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের সঙ্গেই আমরা দিনাতিপাত করছি। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) কর্তৃক প্রকাশিত সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, দেশের জনসংখ্যা ১৬৯ দশমিক ৮ মিলিয়ন বা ১৬ দশমিক ৯৮ কোটি, যার ২৮ শতাংশ যুবকদের, অর্থাৎ ৪৭ দশমিক ৪ মিলিয়ন (৪ দশমিক ৭৪ কোটি)। মোট জনসংখ্যার প্রায় ৬২ শতাংশ কর্মজীবী, বয়স ১৫ থেকে ৫৯ বছরের মধ্যে এবং এটি ১০৫ মিলিয়ন। মোট জনসংখ্যার এত বিশাল শতাংশ নিয়ে গঠিত যুবকরা যেকোনো দেশের জন্য একটি বিশাল সুযোগ হিসেবে বিবেচিত হবে যদি সেই দেশের প্রতিটি কর্মজীবী-বয়সি নাগরিককে উপযুক্ত চাকরি প্রদান করা যায়। বিশেষ করে, প্রতি বছর চাকরির বাজারে তরুণ-তরুণীরা প্রবেশ করলে তাদের যথাযথ ব্যবহার করা যেতে পারে। দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি করতে প্রয়োজন শিক্ষা। এক্ষেত্রে উচ্ছশিক্ষা প্রতিষ্ঠান বড় ভূমিকা রাখতে পারে। এ কারণেই বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় টিকতে উচ্চশিক্ষাকে চতুর্থ শিল্প বিপ্লব উপযোগী করে সাজানোর প্রয়োজন রয়েছে এবং তা শুরু করা হয়েছে।

বাংলাদেশ ক্রমাগত বৈশ্বিক অর্থনীতির সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে। আমাদের যোগাযোগের মাধ্যম চারটি রপ্তানি, আমদানি, বিনিয়োগ ও সাময়িক অভিবাসন। বাংলাদেশের আমদানির পরিমাণ রপ্তানির চেয়ে অনেক বেশি। তাই দেশে বিনিয়োগ (বিদেশি) বৃদ্ধি ও জনশক্তি রপ্তানি অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার প্রধান উপায়। বিদেশি বিনিয়োগ দেশে বাড়বে তখনই, যখন দেশে থাকবে পর্যাপ্ত উপকরণ, যেমন খনি বা জমি, পুঁজি কিংবা জনশক্তি। অদক্ষ জনশক্তি বিদেশি বিনিয়োগ ততটা উৎসাহিত করে না। এক্ষেত্রে শুধু শ্রমনির্ভর খাতে বিনিয়োগ হবে। বাংলাদেশ কেবল একটি পণ্যই রপ্তানি করছে। অথচ যেসব দেশে শ্রমিকের দক্ষতা বেশি, সেসব দেশে বাড়ে বিদেশি বিনিয়োগ। জনশক্তি রপ্তানির ক্ষেত্রেও একই চিত্র। বিদেশে শ্রমিক প্রয়োজন। তবে ক্রমাগত দক্ষ শ্রমিকের চাহিদা বাড়ছে। অদক্ষ শ্রমিকের চেয়ে দক্ষ শ্রমিক প্রাায় ১০ গুণ বেশি আয় করেন। আর শ্রমিকের দক্ষতা নির্ভর করে শিক্ষার মানের ওপর। তাই শিক্ষার মান পরিবর্তন অত্যন্ত জরুরি। গতানুগতিক চিন্তার মাধ্যমে শিক্ষাব্যবস্থা পরিবর্তন করা সম্ভব হবে না।

আমরা জানি, চতুর্থ শিল্পবিপ্লব হচ্ছে ফিউশন অব ফিজিক্যাল, ডিজিটাল এবং বায়োলজিক্যাল স্পেয়ার। এখানে ফিজিক্যাল হচ্ছে হিউমেন, বায়োলজিক্যাল হচ্ছে প্রকৃতি এবং ডিজিটাল হচ্ছে টেকনোলজি। এই তিনটিকে আলাদা করা কঠিন হয়ে যাচ্ছে। এর ফলে কী হচ্ছে? সমাজে কী ধরনের পরিবর্তন হচ্ছে? এর ফলে ইন্টেলেকচুয়ালাইজেশন হচ্ছে, হিউমেন মেশিন ইন্টারফেস হচ্ছে এবং রিয়েলটি এবং ভার্চুয়ালিটি এক হয়ে যাচ্ছে। আমাদেরকে চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের জন্য প্রস্তুত করতে হলে ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্স, ফিজিক্যাল ইন্টেলিজেন্স, সোশ্যাল ইন্টেলিজেন্স, কনটেস্ট ইন্টেলিজেন্সর মতো বিষয়গুলো মাথায় প্রবেশ করাতে হবে।

বিশ্ব সভ্যতাকে নতুন মাত্রা দিচ্ছে চতুর্থ শিল্পবিপ্লব। এই বিপ্লবের প্রক্রিয়া ও সম্ভাব্যতা নিয়ে এরই মধ্যে বিশ্বব্যাপী ব্যাপক আলোচনা হচ্ছে। আলোচনা হচ্ছে আমাদের দেশেও। এই আলোচনার মাধ্যমে মানুষের মধ্যে এক ধরনের সচেতনতা তৈরি বাংলাদেশকে চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের নেতৃত্ব দানের উপযোগী করে গড়ে তুলে দক্ষ জনবল তৈরির লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী এবং তার তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা নিরলস কাজ করছেন।

লেখক : প্রাবন্ধিক ও গবেষক

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

slot qris

slot bet 100 rupiah

slot spaceman

mahjong ways

spaceman slot

slot olympus slot deposit 10 ribu slot bet 100 rupiah scatter pink slot deposit pulsa slot gacor slot princess slot server thailand super gacor slot server thailand slot depo 10k slot777 online slot bet 100 rupiah deposit 25 bonus 25 slot joker123 situs slot gacor slot deposit qris slot joker123 mahjong scatter hitam

https://www.chicagokebabrestaurant.com/

sicbo

roulette

spaceman slot