Togel Online

Situs Bandar

Situs Togel Terpercaya

Togel Online Hadiah 4D 10 Juta

Bandar Togel

বাংলাদেশের যোগাযোগ ও অবকাঠামো উন্নয়নে অভূতপূর্ব সাফল্য

হীরেন পণ্ডিত: সড়ক পরিবহন ব্যবস্থায় অভূতপূর্ব উন্নয়নের পাশাপাশি নিরাপদ সড়ক ব্যবস্থা জোরদার করার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে বর্তমান সরকার। আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর এবং টেকসই ও নিরাপদ মহাসড়ক নেটওয়ার্ক প্রতিষ্ঠা করাই সরকারের লক্ষ্য। সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিতকল্পে স্বয়ংক্রিয় মোটরযান ফিটনেস সেন্টার চালু করা হয়েছে। ই-ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রবর্তনের মাধ্যমে বিআরটিএ’র প্রায় সকল সেবা ডিজিটালাইজড করা হয়েছে, সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিতকল্পে ৬ দফা নির্দেশনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। বিশ্বব্যাংকের আর্থিক সহায়তায় ও বাংলাদেশ সরকারের অর্থায়নে পাঁচ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে ‘বাংলাদেশ রোড সেইফটি প্রজেক্ট’ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

উন্নত পরিবহন ব্যবস্থা অর্থনৈতিক অগ্রগতির একটি নির্দেশকও বটে। তাই দক্ষ চালক তৈরির উদ্যোগ বৃদ্ধি, চালকের বেতন ও কর্মঘণ্টা নির্দিষ্টকরণ, বিআরটিএর সক্ষমতা বৃদ্ধি, পরিবহনের মালিক-শ্রমিক, যাত্রী ও পথচারীদের প্রতি ট্রাফিক আইনের বাধাহীন প্রয়োগ নিশ্চিতকরণ, মহাসড়কে স্বল্পগতির যানবাহন চলাচল নিয়ন্ত্রণ এবং এগুলোর জন্য আলাদা সার্ভিস রোড তৈরি, পর্যায়ক্রমে সব মহাসড়কে রোড ডিভাইডার নির্মাণ, গণপরিবহনে চাঁদাবাজি বন্ধ, রেল ও নৌপথ সংস্কার ও সম্প্রসারণ করে সড়কপথের ওপর চাপ কমানো, টেকসই পরিবহন কৌশল প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি স্বদেশে প্রত্যাবর্তনের পর ক্ষতিগ্রস্ত সব সড়ক ও সেতু মেরামত করে যোগাযোগ অবকাঠামো পুনঃস্থাপন করেন। অবকাঠামো পুনর্গঠন ছিল একটি জরুরি ও কঠিন কাজ। কিন্তু বঙ্গবন্ধুর সরকার সড়ক, ক্ষতিগ্রস্ত সেতুগুলো, ক্ষতিগ্রস্ত রেলসংযোগ, বিদ্যুৎ ব্যবস্থা, টেলিফোন ব্যবস্থা ও বন্দরগুলো পুনর্গঠনের ব্যবস্থা হাতে নেন ও ১৯৭২ সালের শেষার্ধে এগুলো মোটামুটি সম্পন্ন হয়।

স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে বঙ্গবন্ধু যমুনা নদীর ওপর একটি সেতু নির্মাণের ঘোষণা দেন। ১৯৭৩ সালের অক্টোবর মাসে জাপান সফরকালে যমুনা নদীর ওপর সেতু নির্মাণের জন্য তিনি জাপান সরকারের সহায়তা চান। এরপর ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর বঙ্গবন্ধু যমুনা বহুমুখী সেতুর নির্মাণকাজ শেষ হয় এবং ১৯৯৮ সালের ২৩ জুন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ওই সেতুর উদ্বোধন করেন।
বাংলাদেশের যোগাযোগ ও অবকাঠামো উন্নয়নে অভূতপূর্ব সাফল্য
সমাজসেবা যখন ব্যবসা

তিনি ১৯৭৪ সালের মধ্যেই মুক্তিযুদ্ধে ধ্বংসপ্রাপ্ত সকল সেতু পুনঃনির্মাণ করে চলাচলের উপযোগী করেন, পাশাপাশি তিনি ৪৯০ কিমি নতুন সড়ক নির্মাণ করেন। বাংলাদেশ সরকারের প্রথম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় জাতির পিতা সড়ক পরিবহন খাতকে অগ্রাধিকার প্রদান করে আধুনিক সড়ক নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার কার্যক্রম শুরু করেন।

বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার জাতির পিতার পদাঙ্ক অনুসরণ করে তিনটি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা ২০৩০ এবং প্রেক্ষিত পরিকল্পনা ২০৪১ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে নিরাপদ সড়ক নেটওয়ার্ক উন্নয়নের মাধ্যমে নিরবচ্ছিন্ন ও সময় সাশ্রয়ী যাতায়াত ও পণ্য পরিবহন সম্প্রসারণের নিমিত্তে কাজ করে যাচ্ছে। নিজস্ব অর্থায়নে করা স্বপ্নের বহুমুখী পদ্মা সেতুসহ সারা দেশে বিস্তৃত যোগাযোগ ব্যবস্থা জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের পাশাপাশি দেশের অর্থনীতিতেও উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখছে।

বিশ্বব্যাংক পদ্মা সেতু থেকে বরাদ্দ বাতিল করলে আওয়ামী লীগ সরকার সেটাকে চ্যালেঞ্জরূপে গ্রহণ করে। নিজস্ব অর্থায়নে সরকার সেতুটি নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করে। সেতুটির অস্তিত্বই এখন আমাদের সবার কাছে মুখ্য। এই সেতু পাল্টে দিচ্ছে আমাদের অর্থনীতি।

গত কয়েক বছর ধরে আওয়ামী লীগ সরকার অবকাঠামো নির্মাণে ব্রতী হয়েছে। ফ্লাইওভার, আন্ডারপাস ও মেট্রোরেল ইত্যাদি নির্মাণ করা হয়েছে। ২০২২ সালের ২৮ ডিসেম্বর থেকে কাঙ্ক্ষিত ও স্বপ্নের মেট্রোরেল উত্তরা থেকে মতিঝিল পর্যন্ত চলছে। এখন যোগাযোগের একটি জনপ্রিয় মাধ্যম মেট্রোরেল। উদ্বোধন করা হলো এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, পদ্মা সেতুর রেল, কর্ণফুলী টানেল, মাতারবাড়ী বিদ্যুৎকেন্দ্র। এ পর্যন্ত ৮ লাখ ৮৬ হাজার ৬১৭টি পরিবারের প্রায় ৩৫ লাখ মানুষকে মাথা গোজার ঠাঁই করে দেওয়া হয়েছে। ১ কোটি ২০ লাখ ৫৫ হাজার ৯৫৯ জন ব্যক্তি অভিবাসী কর্মী হিসেবে বিদেশে কাজ করছেন।

গত ১৫ বছরে দেশ আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। আওয়ামী লীগ সরকার ধারাবাহিকভাবে সরকার পরিচালনায় আছে বলেই এসব অর্জন সম্ভব হয়েছে। ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে উন্নত, স্মার্ট বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয়ে কাজ করছে। এ জন্য প্রেক্ষিত পরিকল্পনা-২০৪১ প্রণয়ন করে বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে। বর্তমান সরকারের সময়ে যোগাযোগ অবকাঠামো খাতে এসেছে বৈপ্লবিক পরিবর্তন। গত বছর অক্টোবর মাসে উদ্বোধন করা হয়েছে দক্ষিণাঞ্চলের সর্বববৃহৎ পায়রা সেতু। গত নভেম্বরে দেশের ২৫টি জেলায় ২০০টি সেতু যানবাহন চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে। দেশের অনেক মহাসড়ক চার বা তদূর্ধ্ব লেনে উন্নীত করা হয়েছে। অন্যগুলোর কাজ চলছে। বিশ্বে ৫৭তম দেশ হিসেবে স্যাটেলাইট বঙ্গবন্ধু-১ উৎক্ষেপণ করা হয়েছে এখন স্যাটেলাইট বঙ্গবন্ধু-২ এর জন্য কাজ চলছে। জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে আমাদের প্রজন্মের পর প্রজন্ম যেন রক্ষা পায় এবং উন্নত ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে পারে সে জন্য ডেল্টা প্ল্যান-২১০০ প্রণয়ন করা হয়েছে।

গত ২১ ডিসেম্বর ২০২৩ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের ৫০টি জেলায় ১০০টি জাতীয়, আঞ্চলিক ও জেলা মহাসড়ক উদ্বোধন করেছেন। এসব মহাসড়কের মোট দৈর্ঘ্য প্রায় ২ হাজার ২১ কিলোমিটার। ২০২১ কিলোমিটার মহাসড়কের মধ্যে ২০৬ দশমিক ৫৪ কিলোমিটার জাতীয় মহাসড়ক, ৬২১ দশমিক ৬৮ কিলোমিটার আঞ্চলিক মহাসড়ক এবং ১১৯৩ দশমিক ৩৪ কিলোমিটার জেলা মহাসড়ক। এসব মহাসড়ক নির্মাণে মোট ব্যয় হয়েছে প্রায় ১৪ হাজার ৯১৫ কোটি টাকা।

বাংলাদেশের অব্যাহত উন্নয়ন অভিযাত্রায় এবার বিশ্বের কাছে বিস্ময় জাগানো আরও মাইলফলক অর্জন যোগ হয়েছে। ২৫ জুন ২০২২ পদ্মা সেতুর উদ্বোধন হয়েছে। বিশ্বের সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ও উপকরণ দিয়ে নির্মিত পদ্মা সেতু নির্মাণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে সর্বোচ্চ মান বজায় রেখে। পদ্মা সেতুর পাইল বা মাটির গভীরে বসানো ভিত্তি এখন পর্যন্ত বিশ্বে গভীরতম। সর্বোচ্চ ১২২ মিটার গভীর পর্যন্ত এই সেতুর পাইল বসানো হয়েছে। ভূমিকম্প প্রতিরোধ বিবেচনায় ব্যবহৃত হয়েছে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি।

সড়ক দুর্ঘটনা কমিয়ে আনা ও অর্থনৈতিক ক্ষতি লাঘবের উদ্দেশ্যে জাতিসংঘের সংশ্লিষ্ট সংস্থাসমূহ তার সদস্যভুক্ত প্রায় প্রতিটি দেশের সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহকে সঙ্গে নিয়ে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বব্যাপী সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ও আহতের সংখ্যা শতকরা ৫০ ভাগ কমানোর জন্য, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ ও কার্যক্রম পরিচালনায় সহায়তা করা এবং ‘গ্লোবাল প্ল্যান ফর সেকেন্ড ডিকেড অব অ্যাকশন ফর রোড সেইফটি ২০২১-৩০’ নিশ্চিত করতে কার্যকর কর্মপন্থা নির্ধারণ করে সেগুলো বাস্তবায়নে সহযোগিতা করা ইত্যাদি।

আশার কথা হলো এই যে, সড়ক-দুর্ঘটনা কমানোর উদ্দেশ্যে বিশ্বব্যাপী গৃহীত এসব পদক্ষেপের সঙ্গে বাংলাদেশও একাত্মতা প্রকাশ করেছে। পাশাপাশি সেগুলোর বাস্তবায়নের জন্য যথাযথ কর্মপন্থা নির্ধারণপূর্বক প্রয়োজনীয় কার্যক্রম বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে।

দেশের অনেক মহাসড়ক চার বা তদূর্ধ্ব লেনে উন্নীত করা হয়েছে। অন্যগুলোর কাজ চলছে। চট্টগ্রামে কর্ণফুলী নদীর তলদেশে টানেল এবং বিমানবন্দর-কুতুবখালী এক্সপ্রেসওয়ের একাংশ খুলে দেওয়া হয়েছে। খুব শিগগিরই যানবাহন চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হবে বাকি অংশ। পাশাপাশি বর্তমান সরকারের অন্যান্য মেগা প্রকল্প কর্ণফুলী টানেল, ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, ঢাকা-কক্সবাজার রেলপথ নির্মাণ, বাস র‍্যাপিড ট্রানজিট (বিআরটি) ও পদ্মা রেল সংযোগ প্রকল্পসহ বেশিরভাগ উদ্বোধন করা হয়েছে। দু’একটি উদ্বোধনের অপেক্ষায়।

রাজনৈতিক প্রজ্ঞায়, নেতৃত্বের দক্ষতায়, দল ও দেশ পরিচালনায় আত্মবিশ্বাস, দক্ষতা ও সততা, সাহসিকতা ও দূরদর্শিতা দিয়ে মাত্র ১৫ বছরের মধ্যে সারা বিশ্বকে তাক লাগিয়ে ৪০ শতাংশ বিদ্যুতের দেশকে শতভাগ বিদ্যুতের আওতায় এনেছেন। যেখানে ৫৬ লাখ ইন্টারনেট ব্যবহারকারী ছিল, আইসিটি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের যুগোপযোগী পরিকল্পনা ও সুপরামর্শে ব্রডব্যান্ড কানেক্টিভিটি ইউনিয়ন পর্যন্ত পৌঁছে গেছে।

দেশে বর্তমানে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ১৩ কোটি ৬০ লাখ এবং মোবাইল সংযোগের সংখ্যা ১৮ কোটি ৮১ লাখের ওপরে। অবাক বিস্ময়ে সারা পৃথিবী তাকিয়ে থাকে বাংলাদেশের দিকে। জনগণের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দিতে বর্তমানে সারা দেশে প্রায় ৮ হাজার ৮০০টি ডিজিটাল সেন্টারে প্রায় ১৬ হাজারের বেশি উদ্যোক্তা কাজ করছেন, যেখানে ৫০ শতাংশ নারী উদ্যোক্তা রয়েছেন। এর ফলে একদিকে নারী-পুরুষের বৈষম্য, অন্যদিকে ধনী-দরিদ্রের বৈষম্য ও গ্রাম-শহরের বৈষম্য দূর হয়েছে। ডিজিটাল সেন্টার সাধারণ মানুষের জীবনমান সহজ করার পাশাপাশি দৃষ্টিভঙ্গিও বদলে দিয়েছে।

২০১৮ সালে আমাদের নির্বাচনী ইশতেহারে বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করে ‘আমার গ্রাম, আমার শহর’ প্রতিপাদ্য সামনে রেখে আমরা প্রতিটি গ্রামে আধুনিক নগর সুবিধা সম্প্রসারণের অঙ্গীকার করেছে। আজ দেশের প্রায় সব গ্রামে পাকা সড়ক নির্মাণ করা হয়েছে। ২০০৯ থেকে ২০২২ পর্যন্ত পল্লী এলাকায় ৬৬ হাজার ৭৫৫ কিলোমিটার সড়ক উন্নয়ন, ৩ লাখ ৯৪ হাজার ব্রিজ-কালভার্ট, ১ হাজার ৭৬৭টি ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্স ভবন, ১ হাজার ২৫টি সাইক্লোন শেল্টার এবং ৩২৬টি উপজেলা কমপ্লেক্স ভবন নির্মাণ ও সম্প্রসারণ করা হয়েছে। ২০০৯ থেকে ২০২১ সালের মধ্যে ৪৫৮ কিলোমিটার জাতীয় মহাসড়ক চার বা তদূর্ধ্ব লেনে উন্নীত করা হয়েছে। আরও ৮৮৭ কিলোমিটার মহাসড়ক চার বা এর বেশি লেনে উন্নীতকরণের কাজ শেষ হয়েছে।

বাংলাদেশ রেলওয়েকে যুগোপযোগী এবং আধুনিক গণপরিবহন হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে বর্তমানে ১৩ হাজার ৩৭১ কোটি ৪৫ লাখ টাকা ব্যয়ে ৩৭টি প্রকল্পের কাজ চলছে। ঢাকার চারদিকে সার্কুলার রেললাইন স্থাপনের লক্ষ্যে সমীক্ষার কাজ চলছে। ২০০৯ থেকে ২০২২ পর্যন্ত ৪৫১ কিলোমিটার নতুন রেলপথ নির্মাণ এবং ১ হাজার ১৮১ কিলোমিটার রেলপথ পুনর্বাসন করা হয়েছে। ৪২৮টি নতুন রেলসেতু নির্মাণ করা হয়েছে। যমুনা নদীর ওপর ৪ দশমিক ৮ কিলোমিটার দীর্ঘ বঙ্গবন্ধু রেলওয়ে সেতুর নির্মাণকাজ দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশ বিমান এয়ারলাইনসের বিমানবহরে ১২টি নতুন অত্যাধুনিক বোয়িং এবং ড্রিমলাইনার উড়োজাহাজ সংযোজিত হয়েছে। সংযোজিত হয়েছে তিনটি ড্যাশ-৮-৪০০ উড়োজাহাজ।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাজধানীতে তার নামে নামকরণ করা শেখ হাসিনা সরণি (পূর্বাচল এক্সপ্রেসওয়ে) এবং চট্টগ্রামের প্রথম এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েসহ সারা দেশে ১৫৭টি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ৯,৯৯৫টি অবকাঠামো নির্মাণ সমাপ্ত কাজের উদ্বোধন এবং ৪৬টি অবকাঠামোর স্থাপন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন। সারা দেশে ২৪টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগের অধীনে ১ লাখ কোটি টাকা ব্যয়ে ৪,৬৪৪টি বিভিন্ন উন্নয়ন অবকাঠামো এবং ভূমিহীন ও গৃহহীনদের জন্য আশ্রয়ণ প্রকল্পের আওতায় ৮,৮৬,৩৯৭টি গৃহ নির্মাণ সম্পন্ন করা হয়েছে।

নতুন নতুন ফ্লাইওভার, সেতু এবং বাণিজ্যিক বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণের মাধ্যমে ঢাকায় ‘উল্লেখযোগ্য রূপান্তর’ ঘটেছে। বিমানবন্দরে তৃতীয় টার্মিনাল, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র, পায়রা কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্র, কর্ণফুলী নদীর তলদেশ দিয়ে বঙ্গবন্ধু টানেল নির্মাণ, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেলপথ নির্মাণ, যমুনা নদীর ওপর পৃথক স্বতন্ত্র রেলওয়ে ব্রিজ নির্মাণ, দেশের মহাসড়ক চার এবং ছয় লেনে রূপান্তর, দেশের অধিকাংশ অঞ্চল রেলপথের আওতায় নিয়ে এসে ডাবল লাইন নির্মাণ, কক্সবাজারে আন্তর্জাতিক মানের বৃহত্তম বিমানবন্দর নির্মাণ এবং দেশব্যাপী ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট লাইন স্থাপন। এসব মেগা প্রকল্প যে শুধু গৃহীত হয়েছে এবং উদ্বোধন করা হয়েছে এমন নয়, যা একসময় আমাদের দেশে চিরাচরিত রেওয়াজ ছিল। এসব দীর্ঘমেয়াদি অবকাঠামো নির্মাণের উদ্দেশ্যে গৃহীত মেগা প্রকল্পগুলোর কাজ দ্রুত গতিতে একযোগে এগিয়ে চলেছে। বেশ কয়েকটি মেগা প্রকল্পের কাজ শেষ হয়ে চালুও হয়েছে। বাংলাদেশ অনেক দীর্ঘমেয়াদি অবকাঠামো নির্মাণের উদ্দেশ্যে মেগা প্রকল্প হাতে নিয়ে তার সফল বাস্তবায়ন কাজ শেষ করেছে এবং শেষের পথে রয়েছে। এরইমধ্যে যেগুলো চালু হয়েছে জনগণ তা থেকে ব্যাপক সুবিধা পেতে শুরু করেছে। বাকিগুলোর অগ্রগতি দৃশ্যমান এবং খুব সহসাই চালু হবে। ফলে সেখান থেকেও জনগণ সুবিধা পেতে শুরু করবে।

হীরেন পণ্ডিত: প্রাবন্ধিক, গবেষক

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

slot qris

slot bet 100 rupiah

slot spaceman

mahjong ways

spaceman slot

slot olympus slot deposit 10 ribu slot bet 100 rupiah scatter pink slot deposit pulsa slot gacor slot princess slot server thailand super gacor slot server thailand slot depo 10k slot777 online slot bet 100 rupiah deposit 25 bonus 25 slot joker123 situs slot gacor slot deposit qris slot joker123 mahjong scatter hitam

https://www.chicagokebabrestaurant.com/

sicbo

roulette

spaceman slot