Togel Online

Situs Bandar

Situs Togel Terpercaya

Togel Online Hadiah 4D 10 Juta

Bandar Togel

বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার প্রজ্ঞা ও নেতৃত্ব


হীরেন পণ্ডিত

বঙ্গবন্ধুকন্যা গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী ও বিশ্বনেত্রী শেখ হাসিনা বাঙালি জাতির প্রেরণার উত্স। আওয়ামী লীগকে তৃণমূল-বিস্তৃত জনপ্রিয় রাজনৈতিক দলে পরিণত করেছিলেন বঙ্গবন্ধু। তাঁর নৃশংস হত্যাকাণ্ডের পর শেখ হাসিনা চরম দুঃসময়ে ঐক্যের প্রতীক হয়ে আওয়ামী লীগ সভাপতি হিসেবে দলের হাল ধরেন। গণতন্ত্রের সংগ্রামে দীর্ঘ পথ হেঁটেছেন। বারবার মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে এসেছেন। আওয়ামী লীগকে জনপ্রিয় দল হিসেবে ২১ বছর পর ক্ষমতায় এনেছেন এবং গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার জন্য নিরলস কাজ করছেন। আওয়ামী লীগ এ দেশের স্বাধিকার আন্দোলন থেকে শুরু করে বাংলাদেশের যেকোনো গণতান্ত্রিক আন্দোলনে মানুষের অর্থনৈতিক, সামাজিক, রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক মুক্তির পাশাপাশি সব রকম শোষণ, বঞ্চনা, অন্যায়, অবিচার, জুলুমের বিরুদ্ধে সব সময় রাজনৈতিকভাবে সোচ্চার, প্রতিবাদী ভূমিকা রেখে এসেছে এবং এখনো রাখছে। এই দল যখন ক্ষমতায় থাকে তখন মানুষের ভাগ্যের উন্নতি ঘটে। এ দলের জন্মকাল থেকে শুরু করে এই ৭০ বছরের ইতিহাস সেই সত্যের স্বাক্ষর বহন করে।

এখন জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ প্রায় এক যুগ ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত আছে এবং জনগণের কল্যাণে নিবেদিত হয়ে তিনি কাজ করে যাচ্ছেন। বঙ্গবন্ধুর জ্যেষ্ঠ সন্তান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা ১৯৪৭ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জন্ম নিয়েছিলেন। শেখ হাসিনা যে ইতিহাসের পথে হেঁটেছেন, সমসাময়িক ইতিহাসে কাউকে খুব একটা এভাবে দেখা যায় না। আওয়ামী লীগকে বাঁচাতে পারে বঙ্গবন্ধুর রক্তের একজন উত্তরাধিকারী। বঙ্গবন্ধুর নৃশংস হত্যাকাণ্ডের পর আওয়ামী লীগকে ঐক্যবদ্ধ রাখার জন্য তা অপরিহার্য হয়ে উঠেছিল। এটা প্রয়োজন ছিল আওয়ামী লীগের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার জন্য। সবাই জানতেন, শেখ হাসিনা ছাত্রজীবনে ছাত্রলীগের রাজনীতি করেছেন। ইডেন গার্লস কলেজের ভিপি ছিলেন। ছয় দফা আন্দোলনের সময় রাজপথে ছিলেন। তাই ১৯৮১ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের বিশেষ কাউন্সিলে ভারতের রাজধানী দিল্লিতে প্রবাসজীবন যাপনকারী শেখ হাসিনাকেই বানানো হলো দলের সভাপতি।
এই উদ্যোগ শেখ হাসিনাকে সুযোগ করে দিয়েছিল দলকে ঐক্যবদ্ধ করার। সেই ঐক্যবদ্ধ শক্তি নিয়ে দীর্ঘ ২১ বছর পর ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে জয়লাভ করে ২১ বছর দলকে ক্ষমতায় নিয়ে আসেন। ১৯৯৬ সালে সরকার গঠন করে শেখ হাসিনা যে অসম্ভব কাজটি সম্ভব করে তুলেছিলেন সেটি হচ্ছে, তাঁর পরিবারের ঘাতকদের বিচারের মুখোমুখি দাঁড় করানো এবং পরবর্তী সময়ে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের আওতায় নিয়ে আসা। এ ছাড়া বাঙালি জাতির আদর্শকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার সুযোগ হাতে এলো। বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা বাংলাদেশের মানুষের সার্বিক কল্যাণ, উন্নয়ন ও মুক্তির পথ ও পাথেয় হয়ে কাজ শুরু করলেন। প্রমাণ করলেন বাংলাদেশের গণতন্ত্র বিকাশে তাঁর কোনো বিকল্প নেই। শেখ হাসিনার সততা, নিষ্ঠা, ঐকান্তিকতা, যুক্তিবাদী মানসিকতা, দৃঢ় মনোবল, প্রজ্ঞা ও অসাধারণ নেতৃত্ব বাংলাদেশকে বিশ্বপরিমণ্ডলে অন্য রকম উচ্চতায় প্রতিষ্ঠা করেছে এবং তিনি বিশ্বনন্দিত নেত্রী হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন।
শেখ হাসিনার অদম্য শক্তি, সাহস, মনোবল ও বলিষ্ঠ নেতৃত্ব বিশ্ববাসী অবাক বিস্ময়ে দেখে। বাংলাদেশ অর্থনীতিতে ২০৩০ সাল নাগাদ বিশ্বের ২৯তম এবং ২০৫০ সাল নাগাদ ২৩তম উন্নত দেশ হবে। আর ২০২১ সালে বাংলাদেশ ‘মধ্যম আয়ের দেশ’ এবং ২০৪১ সালে ‘উন্নত দেশ’ হিসেবে বিশ্বে আত্মপ্রকাশ করবে। বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। তার বড় প্রমাণ হলো, কয়েক বছর ধরে দেশের মানুষের মাথাপিছু আয় বেড়েছে। বর্তমান মাথাপিছু আয় এক হাজার ৬১০ ডলার। অর্থনৈতিক অগ্রগতির সূচকে বিশ্বের শীর্ষ কয়েকটি দেশের একটি আজ আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশ।
শিক্ষা, যোগাযোগ অবকাঠামো, গ্যাস, বিদ্যুত্, নারীশিক্ষা, চাকরিজীবীদের বেতন-ভাতা শতভাগ বৃদ্ধি, স্বাস্থ্যসেবা, বিনা মূল্যে বই বিতরণ, খাদ্য উত্পাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন, সামাজিক কর্মসূচির আওতায় পিছিয়ে থাকা জনগোষ্ঠী, অসহায়, বয়স্ক, বিধবা, প্রতিবন্ধী, স্বামী পরিত্যক্তা, অটিজম, অসচ্ছল মুক্তিযোদ্ধাদের সহায়তা প্রদান, আশ্রয়ণ প্রকল্প, একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্প, নারীর ক্ষমতায়নসহ বিভিন্ন সেক্টরের সামগ্রিক উন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা রেখেছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার। একটি দেশের উন্নয়নে বিদ্যুতের ভূমিকা অনস্বীকার্য। অনবরত বিদ্যুত্ঘাটতি দেশের ধাবমান উন্নতির চাকাকে মন্থর করে দিয়েছিল। অর্থাত্ দেশটিতে দীর্ঘকালের স্থায়ী বিদ্যুত্ সমস্যা, যার কোনো সমাধান পূর্ববর্তী সরকারগুলো দিতে পারেনি—আওয়ামী লীগ সরকার অত্যধিক ব্যয়ে হলেও বিদ্যুত্ উত্পাদন করে তা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিয়েছে। এই উত্পাদন শুধু গৃহস্থালি কাজেই নয়, বিদ্যুিনর্ভর অন্যান্য মাধ্যমকেও সচল রেখেছে, যা দেশের অর্থনীতির চাকাকে সচল করেছে।
অন্যদিকে বেড়েছে সরকারের রাজস্ব আয়ও। প্রায় সর্বত্রই দুর্নীতি থাকলেও সরকারকে সবচেয়ে স্বস্তি দিয়েছে কৃষি খাত ও তার ব্যবস্থাপনা। আমাদের মতো জনবহুল দেশে সীমিত কৃষিযোগ্য ভূমির সতর্ক ও যৌক্তিক ব্যবহার বাঞ্ছনীয়। আমাদের দেশে সেটা হয়েছে। ফলে আমাদের কৃষিপণ্যের আমদানিনির্ভরতা অনেকাংশেই কমে গেছে। আর এই কৃষি বিপ্লবের কারণেই ১৬ কোটি মানুষের দেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করা গেছে, যা দেশের জন্য অত্যন্ত ইতিবাচক একটি দিক। আজকের এই কৃষি বিপ্লবের শতভাগই আওয়ামী লীগের উদ্ভাবন। এ জন্য প্রধানমন্ত্রীকে অবশ্যই অভিনন্দন জানাতে হয়।
আমাদের রাজস্ব, বিশেষ করে বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের প্রধান উত্স তৈরি পোশাক ও জনশক্তি রপ্তানি। ব্যক্তিমালিকানায় শুরু হলেও সরকারের আগ্রহেই এই দুই খাত যথেষ্ট গতি অর্জন করেছে। এর ফলে দেশের অর্থনীতির চালিকাশক্তি গতি পেয়েছে। সেই সঙ্গে দেশের বেকার সমস্যারও অনেকটা সমাধান হয়েছে। রপ্তানিযোগ্য এমন সব পণ্য রয়েছে, যা শতভাগ ব্যক্তি উদ্যোগে রপ্তানি করা যায় না। এ ক্ষেত্রে সরকারের তত্পরতা চোখে পড়ার মতো। বিদেশি ক্রেতাদের কাছে পোশাক তৈরির কর্মপরিবেশ গ্রহণযোগ্য রাখতে সরকার ও মালিক পক্ষের এখনো অনেক কিছু করার রয়েছে।
বিশ্বব্যাংক পদ্মা সেতু থেকে বরাদ্দ বাতিল করলে আওয়ামী লীগ সরকার সেটাকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে গ্রহণ করে। নিজস্ব অর্থায়নে সরকার সেতুটি নির্মাণের উদ্যোগ নেয়। সেতুটির অস্তিত্বই এখন আমাদের সবার কাছে মুখ্য। কয়েক বছর ধরে আওয়ামী লীগ সরকার অবকাঠামো নির্মাণে ব্রতী হয়েছে। ফ্লাইওভার, আন্ডারপাস, মেট্রো রেল ইত্যাদি নির্মাণ করা হয়েছে।
বঙ্গবন্ধু যে স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চেয়েছিলেন তা প্রধানমন্ত্রী কঠোর পরিশ্রম ও মেধা-মনন দিয়ে বাস্তবায়ন করে যাচ্ছেন একনাগাড়ে। বিশ্বনেত্রীর হাত ধরেই এ দেশ সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়ার মতো ঝকঝকে উন্নত দেশে রূপান্তরিত হবে অল্প সময়েই। একমাত্র শেখ হাসিনাই পারবেন উন্নত, সমৃদ্ধ ও শান্তিময় বাঙালি জাতি ও বাংলাদেশ গড়ে তুলতে। সন্তানের থেকে বেশি মমতায় ভালোবেসেছেন দেশকে, পিতার অসমাপ্ত কাজ যে সমাপ্ত করতে হবে। নির্মাণ করতে হবে একটি অসাম্প্রদায়িক, গণতান্ত্রিক আর ভবিষ্যতের আধুনিক বাংলাদেশ। এটি বর্তমান প্রজন্মেরও প্রত্যাশা। বেঁচে থাকুন আপনি এ দেশের মানুষের হূদয়ে প্রেরণার উত্স হয়ে।

লেখক : প্রাবন্ধিক

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

slot qris

slot bet 100 rupiah

slot spaceman

mahjong ways

spaceman slot

slot olympus slot deposit 10 ribu slot bet 100 rupiah scatter pink slot deposit pulsa slot gacor slot princess slot server thailand super gacor slot server thailand slot depo 10k slot777 online slot bet 100 rupiah deposit 25 bonus 25 slot joker123 situs slot gacor slot deposit qris slot joker123 mahjong scatter hitam

sicbo

roulette

slot server luar