Togel Online

Situs Bandar

Situs Togel Terpercaya

Togel Online Hadiah 4D 10 Juta

Bandar Togel

সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতের অঙ্গীকার বাস্তবায়ন জরুরি

হীরেন পণ্ডিত: সবার জন্য স্বাস্থ্য নিশ্চিতকরণের বিষয়টি অর্থনীতি, সুশাসন, পরিবেশ ইত্যাদি অনেক কিছুর সঙ্গেই নির্ভর করে। আমরা জাতীয় উন্নয়নের জন্য এসডিজির অভীষ্ট লক্ষ অর্জনে কাজ করছি। স্বাস্থ্যসেবাকে সর্বজনীন করে একটি সুন্দর পৃথিবী গড়ে তোলাই সবার লক্ষ্য। 

স্বাস্থ্য খাতে বাংলাদেশের অগ্রগতি এই অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে মডেল হিসেবে আন্তর্জাতিক মহলে স্বীকৃতিও পেয়েছে। শুধু তাই নয়, স্বাস্থ্যের উন্নতিতে প্রযুক্তি ব্যবহার করে বাংলাদেশ পুরস্কৃত হয়েছে। তারপরও সবার জন্য সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করার বিষয়টি এখনো বহু দূরে। সবার জন্য স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে যে জাতীয় স্বাস্থ্য পরিকাঠামো, অবকাঠামো, প্রশাসন ও ব্যবস্থাপনা প্রয়োজন সে জন্য আরও কাজ করতে হবে।

স্বাস্থ্য সম্পর্কিত চাহিদা নগরাঞ্চলের স্বাস্থ্য চাহিদা থেকে গ্রামাঞ্চলে ভিন্ন। আঞ্চলিক ভিন্নতার কথা বিভিন্ন সময়ে আলোচনায় এলেও নীতি প্রণয়নে কিংবা পরিকল্পনায় এর সুবিবেচনা খুব একটা লক্ষ্য করা যায় না। আমাদের দেশে কার্যকর স্বাস্থ্যসেবা দিতে হলে স্বাস্থ্য এবং স্বাস্থ্য সম্পর্কিত গবেষণার প্রয়োজনীয়তা সবচেয়ে বেশি। 

সবার জন্য স্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে হলে স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণের ব্যয় জনগণের আয় ও ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে থাকতে হবে। এ ছাড়া বর্তমানে পরিবেশ দূষণ, বিষাক্ত খাদ্যগ্রহণ, খাদ্যাভ্যাস ও জীবনযাত্রার পরিবর্তনের ফলে আশঙ্কাজনকহারে বিভিন্ন রোগের বিস্তার ঘটছে। বিশেষ করে বাড়ছে ক্যান্সার, ডায়াবেটিস, হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, স্ট্রোক এবং কিডনি সমস্যাসহ অন্যান্য দুরারোগ্য ব্যাধি। চিকিৎসা হয়ে উঠছে অত্যন্ত ব্যয়বহুল। 

দেশের চার শতাংশ মানুষ দরিদ্র হয়ে যায় স্বাস্থ্য খাতে অতিরিক্ত খরচের জন্য। কোনো দেশে কোনো নাগরিকের স্বাস্থ্য ব্যয় তার সামগ্রিক ব্যয়ের ৩০ শতাংশের বেশি হলে সেই দেশে স্বাস্থ্য সুরক্ষাব্যবস্থা দুর্বল বলে বিবেচিত হয়। আমরা চাইলে খুব সহজেই একটি স্বাস্থ্য বিমাব্যবস্থা গড়ে তুলতে পারি। 

স্বাস্থ্য নিয়ে আমাদের যেকোনো আলোচনাতেই প্রাধান্য পায় কোথাও ডাক্তার নেই, ওষুধ নেই, হাসপাতাল নেই, সিট নেই, হাসপাতালের দুরবস্থা, দুর্নীতি, অনিয়ম, বাজেটে বরাদ্দ কম, দালালদের উপদ্রব ইত্যাদি অনেক বিষয়। এর প্রতিটি বিষয়ই চিকিৎসাকেন্দ্রিক। এ বিষয়গুলোরও আলোচনা ও সমাধান প্রয়োজন। 

স্বাস্থ্যসেবা পাওয়া যে মানুষের অধিকার, কারও দয়া বা করুণার বিষয় নয়, এটাও সাধারণ মানুষকে ব্যাপকভাবে বোঝানো। সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে যারা সেবা প্রদানকারীর ভূমিকায় আছেন তাদেরও জবাবদিহিতার সংস্কৃতি তৈরির জন্য সচেষ্ট হতে হবে। অধিকারভিত্তিক একটি স্বাস্থ্য পরিকাঠামো গড়ে তুলতে এসডিজির গোলসমূহ অর্জনের কোনো বিকল্প নেই। দেশের স্বাস্থ্যসেবা ও এর গুণগতমান নিয়ে জনমনে অসন্তোষ রয়েছে, রয়েছে হতাশা। চিকিৎসাসেবা এখন আর সেবা নয়, ব্যবসায় পরিণত হয়েছে বলেই অভিযোগ রয়েছে।

স্বাস্থ্যসেবাকে জনগণের দোরগোড়ায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। উপজেলা স্বাস্থ্যসেবা কমপ্লেক্স, ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও কমিউনিটি ক্লিনিক রয়েছে। এত আয়োজনের পর চিকিৎসাসেবার গুণগতমান কেমন এবং এই সেবা নিয়মিত ও সবাই সন্তুষ্টিসহকারে পাচ্ছে কি না, সেটিই আসল বিষয়। 

স্বাস্থ্যব্যবস্থায় ভালো কর্মকর্তা ও কর্মচারী আছেন, যারা দুর্নীতিগ্রস্ত নন। এমন ভালো ব্যক্তিদের নিয়ে আমাদের স্বাস্থ্যব্যবস্থাকে ঢেলে সাজানো যায়। প্রতিটি কাজের জবাবদিহির পথ খোলা রাখুন। কাজের গুণগত মনিটরিং ও প্রত্যেকের নিরপেক্ষ মূল্যায়নের ব্যবস্থা নিন এবং সেবাগ্রহণকারীরাই হোক প্রকৃত মূল্যায়নকারী।  

সরকারের স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে সরকারি হাসপাতাল রয়েছে ৬৫৪টি এবং এসব হাসপাতালে মোট শয্যার সংখ্যা ৫১ হাজার ৩১৬টি। আর বেসরকারি হাসপাতাল রয়েছে ৫ হাজার ৫৫টি, যেখানে মোট শয্যার সংখ্যা ৯০ হাজার ৫৮৭টি। বাংলাদেশে স্বাস্থ্য খাতে কিছু অর্জন আছে, যা চোখে পড়ার মতো। এর মধ্যে রয়েছে মাতৃ ও শিশুমৃত্যু কমানো। বাংলাদেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থা বরাবরই ইস্যুভিত্তিক ছিল। সার্বিক কোনো পরিকল্পনা করা হয়নি। বাংলাদেশে কোভিড-১৯ ভাইরাসের সংক্রমণের পর দেখা গেছে, অনেক ব্যবসায়ী, ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তা কিংবা রাজনীতিবিদ সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। স্বাভাবিক সময়ে অনেকে বাংলাদেশে চিকিৎসা করানোর বিষয়টি চিন্তাও করতেন না। কিন্তু দুর্যোগের এই সময়ে সরকারি হাসপাতাল হয়ে উঠেছিল একমাত্র ভরসা। ডেঙ্গু চিকিৎসার ক্ষেত্রেও অনেকটা তাই দেখা যাচ্ছে।

সারা দেশে ১৭ হাজার ৫০০ কমিউনিটি ক্লিনিক ও সরকারি বিভিন্ন স্তরের হাসপাতালে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা এবং জাতীয় টিকাদান কার্যক্রমের মাধ্যমে দেশ ইতোমধ্যেই সর্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষা কার্যক্রম বা ইউনিভার্সেল হেলথ কভারেজ বাস্তবায়নে এগিয়ে যাচ্ছে। এ ছাড়া কিছু এলাকায় পাইলট আকারে হেলথ স্কিমের মাধ্যমেও ইউনিভার্সেল হেলথ কাভারেজ কার্যক্রম সরাসরি চলছে। পর্যায়ক্রমে তা সারা দেশে চালুর পরিকল্পনাও রয়েছে। যদিও দেশে এখনো সর্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষা কার্যক্রমে চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে। এখনো দলিত, প্রান্তিক জনগোষ্ঠী ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষ বিশেষ করে দিনমজুর, হিজড়া সম্প্রদায়, নরসুন্দর, যৌনকর্মী, জেলে, মুচি, মেথর, আদিবাসী সম্প্রদায়সহ অনেককে তাদের সাংবিধানিক অধিকার থাকা সত্ত্বেও স্বাস্থ্যসেবা নিতে বিড়ম্বনার সম্মুখীন হতে হয় আমাদের মন-মানসিকতার কারণে। এসব জনগোষ্ঠী তাদের প্রবেশাধিকারের বিড়ম্বনার কারণে সরকারি হাসপাতালগুলোতে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হয়।

মানুষকে যখন পকেটের পয়সা খরচ করে স্বাস্থ্যসেবা নিতে হবে না, সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা ও কার্যক্রমের মাধ্যমে যখন প্রয়োজন তখনই যেকোনো ধরনের চিকিৎসাসেবা বিনামূল্যে গ্রহণ করতে পারবেন তখনই আমাদের দেশে ইউনিভার্সেল হেলথ কভারেজ কার্যক্রম বাস্তবায়ন হবে। এ জন্য আরও লম্বা পথ পাড়ি দিতে হবে। 

এখন আমরা আছি এসডিজি যুগে। আগে আমাদের প্রত্যাশা ছিল সবার জন্য স্বাস্থ্য। এখন বলা হচ্ছে, সবার জন্য সহজলভ্য ও মানসম্মত স্বাস্থ্য। সবার জন্য স্বাস্থ্য বলতে যে প্রত্যাশার কথা আমরা বলি তা এখনো নিশ্চিত হয়নি। তবে দিনবদলের কারণে প্রত্যাশাকেও এখন আমাদের নতুন করে সাজাতে হচ্ছে। কোভিড-১৯ এর মতো নতুন নতুন রোগ মহামারির আকার নিচ্ছে। এখন মহামারি হচ্ছে ক্যানসার, হার্ট অ্যাটাক এবং ডায়াবেটিস। এগুলো হচ্ছে নতুন যুগের, মানে এসডিজি যুগের মহামারি।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) বাস্তবায়ন করতে হলে সর্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষা কর্মসূচি নিশ্চিত করতে হবে। দেশের কোনো মানুষ যেন চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত না হয় এবং দরিদ্র জনগোষ্ঠী চিকিৎসা করাতে গিয়ে যেন আরও দরিদ্র বা নিঃস্ব না হয়, সে লক্ষ্যে বাংলাদেশে সবার স্বাস্থ্য সুরক্ষায় স্বাস্থ্যবিমা কার্যকর করা জরুরি। স্বাস্থ্যবিমা করার উদ্দেশ্যই হচ্ছে ব্যক্তির চিকিৎসা খরচ মেটানো।

স্বাস্থ্যসেবার সামগ্রিক ঝুঁকি ও স্বাস্থ্য সংক্রান্ত ব্যয়ের আনুমানিক হিসাব অনুযায়ী, একজন বিমাকারী বিভিন্ন ধরনের স্বাস্থ্যবিমা গ্রহণ করতে পারেন। যেমন মাসিক প্রিমিয়াম অথবা পে-রোল ট্যাক্স, যা বিমার চুক্তি অনুযায়ী তার চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় খরচ জোগাবে। যার ভেতর অন্তর্ভুক্ত রয়েছে দুর্ঘটনার ক্ষতিপূরণ, চিকিৎসায় প্রয়োজনীয় সব খরচ, প্রতিবন্ধিত্ব অথবা দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যুর ক্ষতিপূরণ প্রদান ইত্যাদি।

সরকারি হিসাবের তথ্য বলছে, আমাদের স্বাস্থ্যের পেছনে যত খরচ হয়, তার ৬৭ শতাংশই মানুষ নিজের পকেট থেকে খরচ করছে। অথচ বৈশ্বিক মান হচ্ছে ৩৪ শতাংশের মতো। তার প্রায় দ্বিগুণ আমরা খরচ করছি। আমাদের কাছে স্বাস্থ্য খরচ একটা বড় বোঝা। স্বাস্থ্যসেবার খরচের বিষয়টি আমরা ঠিকমতো স্বীকার করি না। স্বাস্থ্য খরচ নির্বাহ করতে গিয়ে শুধু দরিদ্র নয়, অনেক মধ্যবিত্ত পরিবারও নিঃস্ব হয়ে যায়। কারণ, এখন অসুখের ধরনও পাল্টে গেছে। ক্যান্সার অথবা ক্রনিক অসুখের কারণে অনেককে ওষুধ খেয়ে যেতে হয় নিয়মিত। কিছু উদ্যোগ অবশ্য সরকারের আছে। অতি প্রয়োজনীয় ওষুধ বিলি করার বড় ধরনের প্রোগ্রাম আছে। এই সমস্যার সমাধান কীভাবে করা যায়, সেটি নিয়ে ভাবতে হবে। প্রান্তিক, দলিত ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের স্বাস্থ্যসেবায় প্রবেশাধিকারে বিড়ম্বনার বিষয়টি সামনে এসেছে।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা মূলত বেসরকারি স্বাস্থ্যবিমার ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল, যা অধিকাংশ আমেরিকানের জন্য স্বাস্থ্যসেবা প্রাপ্তির মূল উৎস। অন্যদিকে যুক্তরাজ্যের ন্যাশনাল হেলথ সার্ভিস (এনএইচএস) একটি সরকারিভাবে পরিচালিত স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা, যেখানে যুক্তরাজ্যে বসবাসকারী সবাই স্বাভাবিকভাবেই এ স্বাস্থ্যসেবা পেয়ে থাকেন।

আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতেও ইতোমধ্যে বেশ কিছু স্বাস্থ্যবিমা চালু করেছে। এগুলোর মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় হচ্ছে রাষ্ট্রীয় স্বাস্থ্যবিমা। প্রকল্পটি দরিদ্র মানুষদের আস্থা অর্জন করতে পেরেছে রাষ্ট্রীয় সদিচ্ছা আর আধুনিক প্রযুক্তির সুবিধার মেলবন্ধনের কারণে। অন্য স্বাস্থ্যবিমায় যার নামে বিমা করা থাকে, তাকে প্রিমিয়াম দেওয়ার কথা, কিন্তু সরকার এই বিমায় সেই প্রিমিয়াম দিয়ে দেয়। গরিব মানুষ বিনামূল্যে একটা নির্দিষ্ট অঙ্কের টাকা অবধি অনেক চিকিৎসা সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানেই পেতে পারেন। ৩০ টাকার বিনিময়ে হতদরিদ্র মানুষ পেতে পারেন তাদের পরিবারের সুচিকিৎসার নিশ্চয়তা। একটি স্মার্ট কার্ড নিয়ে গেলেই হাসপাতালে এক পরিবারের পাঁচজন সদস্য এক বছরে পান ৩০ হাজার টাকার চিকিৎসাসেবা। ২০০৮ সালের ১ এপ্রিল দারিদ্রসীমার নিচে থাকা মানুষদের জন্য চালু হওয়া ওই বিমায় ছয় বছরের মধ্যে ৩ কোটি ৬০ লাখ পরিবার যুক্ত হয়েছে।  

বাংলাদেশ ন্যাশনাল হেলথ অ্যাকাউন্টের তথ্য অনুযায়ী, স্বাস্থ্যসেবা নিতে গিয়ে বছরে ৬৪ লাখ মানুষ গরিব থেকে আরও গরিব হচ্ছে। এদের মধ্যে ১৫ শতাংশ চরম বিপর্যয়ের মধ্যে পড়ছে। কারণ বাংলাদেশের মানুষের স্বাস্থ্য ব্যয়ের ৬৭ শতাংশ নিজের পকেট থেকেই ব্যয় করতে হচ্ছে। ফলে মানুষ স্বাস্থ্য ব্যয় মেটাতে গিয়ে দিন দিন আরও গরিব হয়ে পড়ছে। দ্রুত স্বাস্থ্য খাত বিমার আওতায় আনতে না পারলে ব্যক্তিগত ব্যয় আরও বাড়তেই থাকবে।

স্বাস্থ্য অর্থ ইউনিটের তথ্য অনুযায়ী, দেশের ১ শতাংশেরও কম মানুষ স্বাস্থ্যবিমার আওতায় এসেছে। অর্থাৎ ৯৯ শতাংশের অধিক মানুষ এখনো স্বাস্থ্যবিমার বাইরে রয়েছে। কয়েকটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, করপোরেট হাউস ও বিশ্ববিদ্যালয় তাদের কর্মকর্তা কর্মচারীদের জন্য স্বাস্থ্যবিমা চালু রাখলেও এসব বিমায় সব ধরনের স্বাস্থ্যসুরক্ষা দিতে পারছে না। আমাদের দেশের বাস্তবতায় দেখা যায়, কেউ চাইলেই এত সহজে সব মানুষকে কিন্তু বিমার আওতায় আনা সম্ভব হবে না, বিশেষ করে নিম্নমধ্যবিত্ত বা নিম্নবিত্তদের ক্ষেত্রে বিষয়টি আরও কঠিন। এ অবস্থায় আমাদের প্রথমে উচ্চবিত্ত থেকে ক্রমান্বয়ে মধ্যবিত্তদের আগে বিমার আওতায় আনতে হবে। আয়ের অনুপাতে এবং পরিবারের সদস্য সংখ্যা অনুযায়ী বিমার প্রিমিয়াম নির্ধারণ করা যেতে পারে। আর দরিদ্র জনগোষ্ঠীকেও বিমার আওতায় আনতে হবে, তবে তা হতে হবে খুবই স্বল্পমূল্যে বা সম্ভব হলে বিনামূল্যে। অর্থাৎ দরিদ্র জনগোষ্ঠী বিমার আওতায় থাকবে, কিন্তু তার প্রিমিয়াম সরকারিভাবে দেওয়া যেতে পারে। এখানে আরও একটা বিষয় নিশ্চিত করতে হবে, যেন গতানুগতিক বিমার মতো সেবা পেতে দেরি না হয়। যেভাবে জাতীয় পেনশন স্কিম করা হয়েছে সেরকম একটা কিছু নিয়েও এগিয়ে যাওয়া যেতে পারে।

লেখক: প্রাবন্ধিক ও গবেষক

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

slot qris

slot bet 100 rupiah

slot spaceman

mahjong ways

spaceman slot

slot olympus slot deposit 10 ribu slot bet 100 rupiah scatter pink slot deposit pulsa slot gacor slot princess slot server thailand super gacor slot server thailand slot depo 10k slot777 online slot bet 100 rupiah deposit 25 bonus 25 slot joker123 situs slot gacor slot deposit qris slot joker123 mahjong scatter hitam

https://www.chicagokebabrestaurant.com/

sicbo

roulette

spaceman slot